সোইল আহমেদ: কোকিলের ডাক শুনলেই বসন্তের অনুভূতি জাগে। কবি-সাহিত্যিকেরা এই ডাকে সৌন্দর্য খুঁজে পান।
বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে কোকিল পাওয়া যায়। পুরুষ কোকিল কালো ও লালচে চোখের হয়, আর মেয়ে কোকিল খয়েরি-সাদা দাগযুক্ত। কেবল পুরুষ কোকিল ডাকে, স্ত্রী কোকিল ডাকে না। সাধারণত প্রজনন মৌসুমেই কোকিল ডাকে।
কোকিল নিজে বাসা বানায় না, অন্য পাখির বাসায় ডিম পাড়ে। পোষক পাখি বুঝতেই পারে না যে এটি তার ডিম নয়। সাধারণত কাক, শালিক, ফিঙে, ফুটকির বাসায় কোকিল ডিম পাড়ে।
কোকিলের ছানা অন্য পাখির ডিমের চেয়ে আগে ফোটে এবং দ্রুত বড় হয়। তাই সুযোগ পেলেই বাসার অন্য ডিম বা ছানাকে ফেলে দেয়। কোকিল-ছানা সারাদিন খাবারের জন্য চেঁচায়, আর পোষক মা-পাখি তাকে খাওয়াতে বাধ্য হয়।
এভাবেই কোকিল অন্য পাখির সাহায্যে বড় হয় আর তার মিষ্টি ডাক শুনিয়ে বসন্তের বার্তা নিয়ে আসে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পোস্ট/সোহাইল আহমেদ