ঢাকাFriday , 4 April 2025
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. ফটো গ্যালারি
  11. বিনোদন
  12. ভি‌ডিও
  13. ভিডিও গ্যালারি
  14. রাজধানী
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চরম অব্যবস্থাপনায় দর্শনীয় স্থান ওয়াইব্রীজে উপচেপড়া ভীড়ে নাজেহাল দর্শনার্থীরা

admin
April 4, 2025 5:48 pm
Link Copied!

ফয়সল আহমেদ খান, বি‌শেষ প্রতি‌নি‌ধি: শত কোটি টাকার ওয়াই সেতু সন্ধ্যার পরই অন্ধকারে নিমজ্জিত!
বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগরের সংযোগস্থলের জন্য নির্মান করা হয় ১০৪ কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৮ সালে সেতুটি উদ্ধোধন করা হয়।  কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে উদ্ধোধনের কিছু দিন পর থেকেই সেতুর ৬০ থেকে ৮০ টির মতো স্ট্রিট লাইট গুলো অকেজো হয়ে গেছে।যা আর মেরামত করা হয়নি। যার ফলে সন্ধ্যার পর থেকেই সেতু উপর মাদকের আসর, ছিনতাই,দুর্ঘটনার মতো ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।
ফলে যাত্রীরা চলাচলে অস্বস্তি বোধ প্রকাশ করে।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এখনো স্ট্রিট লাইটগুলো  আলো দেওয়ার পরিবর্তে শুধু দাঁড়িয়ে আছে এবং সেতু কতৃপক্ষ  সংস্কারে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি!
ঈদ পরবর্তী বিনোদন করতে ঈদের দিন হতে  বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল)  পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভীড়ে নাজেহাল দর্শনার্থীরাদের।বিশেষ করে নারীদের। অনেকে ইভটিজিং এর স্বীকার হচ্ছেন তারা।
পুলিশ টহল না থাকায় ছোটো-খাটো ছিনতাই ও মারামারির ঘটনাও ঘটেছে।
ষ্ট্রীট লাইটগুলো সব-কটি নষ্ট থাকায় সন্ধার পর শুরু হয় ভুতুড়ে পরিবেশ।
এবিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না।আমি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে কথা বলে লাইট মেরামত ও ঈদমুখী দর্শনার্থীদের  নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো।
পেছনের প্রেক্ষাপট:
সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একটি সেতু। এর সংযোগ তিনটি। প্রচলিত সকল সেতুর চাইতে পুরোমাত্রায়ই আলাদা। এর গঠনশৈলী অনেকটাই ইংরেজি ওয়াই অক্ষরের ন্যায়। সঙ্গত কারণে এর নাম হয়ে গেছে ওয়াই সেতু কিংবা ওয়াই ব্রীজ। বাংলাদেশে এটিই প্রথম। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এলাকায়। তিতাস নদীর উপর নির্মিত দৃষ্টিনন্দন এই ওয়াই সেতু এখন বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগরসহ তিন উপজেলাবাসীর কাছে দর্শনীয় স্থান।
 এলাকাবাসীর স্বপ্নের এই সেতু চালু হলে চারদিকে নদী বেষ্টিত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দৃশ্যপটই পাল্টে যাবে বলে সর্বমহলের অভিমত ছিল। নদী পাড়ি দেওয়ার মতো দুর্বিষহ অপেক্ষার প্রহর আর গুনতে হয় না এখানকার সাধারণ মানুষকে। অতি অল্প সময়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ হয় নির্বিঘে আর স্বচ্ছন্দময়।
 তিতাস নদীর ত্রিমোহনার দুই অংশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভুরভুরিয়া ও চরলহনিয়া, অপরটি পশ্চিমাংশে কুমিল্লা জেলার রামকৃষ্ণপুর বাজার এবং মুরাদনগর উপজেলা এলাকাকে স্পর্শ করেছে দৃষ্টিকাড়া এই ওয়াই সতু।
 বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নাভানা বিল্ডার্সের আওতায় ২০১১ সালের ১৬ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭৭১.২০ মিটার এবং প্রস্থ ৮.১০ মিটার। সেতুটিতে পিলার রয়েছ ৩০২টি। দৃষ্টিনন্দন এই সেতু নির্মাণে খরচ করা হয়েছে ১০৪ কোটি টাকা। এছাড়া সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয় ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, আর জমি অধিগ্রহণ খাতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৯ কোটি টাকা।
 বাসিন্দা ও সেতু ব্যবহার কারী মানুষ এ থেকে উত্তরনের জন্য কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়, সে বিষয়ে উদাত্ত আহ্বান জানান।
ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়া পোস্ট/ফয়সল/সোহাইল

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।