জানা গেছে, এই চক্রে নারী সদস্যদের সংখ্যাই বেশি। পুরুষ সদস্য থাকলেও মূলত নারীরাই দোকানে ক্রেতা সেজে প্রবেশ করে এবং সুযোগ বুঝে চুরি করে। শুধু গত শনিবার (১৫ মার্চ) অন্তত ১০ থেকে ১২ জন নারীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে শপিংয়ের জন্য আনা টাকা উধাও হয়ে গেছে। আজ রোববার, যেহেতু বাঞ্ছারামপুরে সাপ্তাহিক হাটের দিন, তাই এই সংখ্যা বেড়ে ২০ থেকে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
কদমতুলী এলাকার এক ক্রেতা, জাহানারা বেগম, বলেন, "বাঞ্ছারামপুর শফিক মার্কেটে এসে কাপড় কেনার সময় দেখি আমার ১০ হাজার টাকা আর ব্যাগে রাখা আধা ভরি ওজনের কানের দুল নেই। ব্যাগ কেটে নিয়ে গেছে।"
শুধু তাই নয়, শনিবার দুপুরে পৌরশহরের আমেনা প্লাজা এলাকায় একটি জুতার দোকানে চুরি করতে গিয়ে দুই নারী চোর চক্রের সদস্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হাতে ধরা পড়েন। তবে তারা "এ ধরনের কাজ আর করবেন না" মর্মে স্বীকারোক্তি ও প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের ছেড়ে দেন।
এই ধরনের ঘটনা বাঞ্ছারামপুর পৌরশহরে নতুন নয়। প্রতিদিনই কোনো না কোনো মার্কেটে এমন ঘটনা ঘটছে। এতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শফিক মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী অহিদ মিয়া বলেন, "আমার দোকান থেকে তিনটি দামি বোরকা ক্রেতা সেজে একদল নারী চোর নিয়ে গেছে। এত মানুষ থাকলেও কেউ কিছু বুঝতে পারেনি!
তবে সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, বাজারের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা দরকার। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয় এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।
এদিকে, ঈদকে কেন্দ্র করে বাঞ্ছারামপুর পৌরশহরে চোরচক্রের উৎপাত রোধে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রেখেছে।
পুলিশ আরও বলেন ক্রেতাদেরও আরও সচেতন হতে হবে। কেনাকাটার সময় ভিড়ের মধ্যে ব্যাগ ও মূল্যবান সামগ্রী নিরাপদে রাখা, অপরিচিতদের প্রতি সন্দেহজনক আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রফিকুল ইসলাম লাভলু। উপদেষ্টা : প্রবাসী সুমন চন্দ্র। নির্বাহী সম্পাদক মোঃ তাজরুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান মানছুর। ঢাকা অফিস : আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগের ঠিকানা:-পীরগাছা, রংপুর। বার্তা কার্যালয়ঃ পাইকগাছা, খুলনা। মোবাইল: ০১৭১৭-৪৬৫০১০ ( সম্পাদক), ০১৭২৮-১০৩৫০৭ (নির্বাহী সম্পাদক