ডিজিটাল ডেস্ক: জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র
শহীদ আবু সাঈদের হত্যা আলোচিত মামলার কেউ বাদী হতে চায়নি , তখন বাদী হতে রেজিস্ট্রারকে বলা হলে তিনি বলেছিলেন আমিতো এখানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রাপ্ত , আমি ৫আগষ্টে পররর্তী সরকার পরিবর্তনের পর রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি আবু সাঈদের হত্যার সময় আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না বরং আপনারা কেউ বাদী হন। তখন রেজিস্ট্রারকে বলা হয়েছিল আপনাকে নিয়মিত করা হবে , এটা নিয়ে ভাববেন না আপনি বাদী হন। সেসময় কোনো বিএনপিপন্থী কর্মকর্তা কর্মচারী এমনকি শিক্ষক বাদী হতে রাজি হননি আর নির্বাচন হয়ে যাওয়ার ৩ দিনের মাথায় আবু সাঈদের হত্যার সাথে জড়িত আসামি , সার্টিফিকেট জালিয়াতির কারণে চাকুরীচ্যুত এবং আওয়ামী ফ্যাসিস্ট অংশ একত্রিত হয়ে বিএনপির নাম ধারণ করে কোনো ধরনের আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে হঠাৎ করে অনলাইনে সিন্ডিকেট বসিয়ে বরখাস্ত করে যা জুলাই স্প্রীট এবং শহীদ আবু সাঈদের হত্যার বিচার চাওয়ার অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। শহীদ আবু সাঈদের হত্যা মামলার বাদীকে যেখানে সুরক্ষা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেখানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩দিনের মধ্যে বিএনপি নামধারী ফ্যাসিস্টদের পক্ষাবলম্বন করে বাদীকে চাকুরীচ্যুত করা বরং বাদীর জীবনকে হুমকির মুখোমুখি করা হলো।এতে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা ন্যায় বিচারের পথকে রুদ্ধ করা হলো।

